গল্প
বাবা কথার মানে
আমার বাবার অতি সাধারণ জীবন যাপঙ্করতেন। যেমন কমদামি কাপড়ের পায়জামা,পাঞ্জাবি ছেঁড়া চপ্পল,বড় অপরিষ্কার চুল দাড়ি ছিল তাঁর অঙ্গসাজ।তাই তাকে নিয়ে স্কুলে সহপাঠীদের কাছে আমাকে অনেক কটুক্তি,বিদ্রুপ,অবজ্ঞা অবহেলা শুনতে হতো।
চেনা মুখগুলো হঠাৎ পাল্টে যায়
সময়টা কমছে ক্রমশ হৃদপিণ্ডের কাছ ঘেঁসে। তবুও ঘড়ির কাঁটা দুটো চলছে নিজের মতো। রতন ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে আছেন সিলিংটার দিকে, খুঁজছেন গত চল্লিশ বছরের সঙ্গী সূচনাকে। হয়তো মনে নেই আজ অনেক কিছু। নিজের মেয়েকেও ঠিক করে পারেন না চিনতে।একেক সময় রেগে গেলে মেরেও দেন!
টু বি কন্টিনিউড
বিছানার পাশ টেবিলে রাখা মোবাইলটা বেজে উঠতেই বই থেকে মুখ তুলে নিহা। মোবাইলের স্কিনে চোখ না গিয়ে চোখ যায় দেয়াল ঘড়িটার দিকে। ঘড়িটা মধ্যরাতের নির্দেশ করছে ।ও জানে এত রাতে ঐ বাদরটা ছাড়া আর কেউ ফোন করেনি। বিরক্ত নায় বরং একটা মিষ্টি উষ্ণতায় ভরে উঠে মন। কিছুক্ষণ আগেই একপশলা বৃষ্টি ঝরে গেছে তার রেশ ধরে আকাশ অনবরত ঝরিয়ে যাচ্ছে মিহি বরফের কুঁচি। এমন রাতে নিহার ঘুমাতে ইচ্ছে করেনা । তাই মুখের সামনে মেলে ধরে আছে কবিতার বই।এমন মুহূর্তে কবিতা পড়তে ভালোই লাগে নিহার। ঘণ মেঘপুঞ্জের সাথে মিলিয়েই দাদু ওর নাম রেখেছিলেন নিহারিকা। সে নামটাই আদরে আহ্লাদে ছোট হয়ে নিহা হয়ে গেছে।
দেশের মাটির লাগি
সাপের ফনার মতো মাথা তুলে রাস্তাটা দেখে নেয় আলিম, জঙ্গলের পাশ দিয়ে রাস্তা। কারা জানি যায়, কে জানে। ঝপ করে বসে পড়ে। অন্ধকার যতো গাঢ় হচ্ছে তত আশা জাগছে। অথচ মানুষের প্রত্যাশা বেশি আলোর জন্য। সময় এখন অন্ধকারের দিন। হালিম জঙ্গলের মধ্যে একটা গাছে ঠেস দিয়ে অন্ধকারের জন্য অপেক্ষা করছে। কতদিন পর না ফেরা বাড়িতে।