‘না ভোট’ ফিরল জাতীয় নির্বাচনে: জোটেও নিজ দলের প্রতীকেই হবে ভোট

বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৪ এএম

সংগৃহীত

 

 

উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত অনুমোদনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। ফলে জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রার্থী জোটের অংশ হলেও তাকে নিজ দলের প্রতীকেই ভোটে অংশ নিতে হবে।

 

একই সঙ্গে ২০১৪ সালের নির্বাচনের মতো বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ বন্ধে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ‘না ভোট’ ব্যবস্থা। অর্থাৎ কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলেও ভোটাররা সেখানে ‘না ভোট’ দিতে পারবেন। যদি ‘না ভোট’ বেশি হয়, তবে ওই আসনে পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

সোমবার রাতে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারি করা ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৫’ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যাবে না।

 

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যাচাই–বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর কোনো আসনে যদি একজন প্রার্থী অবশিষ্ট থাকেন, তাহলে নির্বাচন হবে ওই প্রার্থী ও ‘না ভোট’-এর মধ্যে। প্রার্থী প্রাপ্ত ভোট যদি ‘না ভোট’-এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে ‘না ভোট’ বেশি হলে নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

আরও বলা হয়েছে, যদি পুনঃনির্বাচনেও একই অবস্থা থাকে—অর্থাৎ কেবল একজন প্রার্থী বৈধভাবে মনোনীত থাকেন—তাহলে রিটার্নিং অফিসার তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন।

 

ইসির হাতে বাড়তি ক্ষমতা

অধ্যাদেশের অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, অনিয়ম বা প্রভাব বিস্তারের কারণে প্রয়োজনে পুরো নির্বাচনি এলাকার ফলাফল বাতিলের ক্ষমতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগে ইসির এখতিয়ার ছিল কেবল নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ফলাফল বাতিলে সীমাবদ্ধ।

 

এ ছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। এই শাস্তি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

যোগাযোগের ঠিকানা:

বাংলাদেশ বার্তা টুডে

৫৬, চানখারপুল লেন, নাজিমুদ্দিন রোড, বংশাল, ঢাকা-১১০০

ইমেইল: info@bangladeshbartatoday.com